ছক্কা ফর্মের কবিতা
সুদীপ ব্যানার্জী
পরিচিতি :: হুগলী জেলার ধণিয়াখালির বাসিন্দা। বছর পাঁচ - ছয় লেখালিখি বিক্ষিপ্তভাবে বিভিন্ন ওয়েবজিন ও পত্রিকায় ।
রডোডেনড্রন দিলাম
তোমাকে চিনতে চিরুনি কিনেছি
রোববার শিখিয়েছো, "ভালবাসিকে দূষণ বলে না "
যত্নে রেখো খামটা
কাঠগোলাপ, পাহাড়ি আদর
প্রথমবার
ধোঁয়া ওঠে আমাদের কাপে
চলাচল
তুলে রাখা ঋণ অল্প সুরাহা
একলা ঘোড়া, ছুটছে -- সামুরাই, স্ক্রিন , মরুদ্যান
তার ফিরে তাকানো
স্টপেজ নিরপেক্ষ
স্কিম
হাঁটছি , কৃতজ্ঞ আপনার আজকাল
ম্যানহোল
চমৎকার
হাততালি শব্দও
ঘোমটা খুলেছ কি?
বোঝাগুলোর নাম ছবি বিশ্বাস রেখেছে ওরা
চলন্ত সংসার থেকে ঝাঁপ অন্ধ
গুটোলেন, মায়াময়, গর্ভস্থ প্রস্তাব
কাকতাড়ুয়া
ভয় একটা অনুপ্রাস
বিকল্প
প্যারাডাইস, জানো আলের আড়াল?
ধানের নাম দিয়েছো বুলবুলি
ছোট্ট মেয়েটা খালি মাঠ , খিদে পেয়েছের,
পাখিরা বোকামি ভুলছে
অভাব
দীর্ঘশ্বাস চেপেছি গতকাল
কষ্ট ভাবলে সাদাফুল হাত তোলে
পেন্ডিং মরণ, অসহ্য তোমার ড্রামা
রাতভোর উল্লাস নকল প্যাকেটে
তারা মিটমিট
ধামাকা, চূড়ান্ত
হেডলাইন
প্রয়োজন অন্য খবর , দেহটির ,
জাম্পকাট তলানিতে মাথানত
সম্প্রসারণে কথা নেই নিজস্ব খুশিটির
এলোমেলো অজান্তে , চুপচাপ
স্বস্তির সূচক আলাপের দিনক্ষণ
বিকেলের এডিটিং
বাসিন্দা
বস্তির খুব নীচু ধাপে থাকি
শুকনো চোখই গেঁথেছি
রাত পরি হয়ে আসেনা এখানে
খুব হাসলাম
নাম লিখে নিলো ওরা
আমরা জনতা
মন্দির
অনেকটা গঙ্গার সাথে বইলাম
স্যাঁতস্যাঁতে
কাল হাত ধরব মেঠো বন্যার
রিনরিনে ধারা আয়না
অনেকটা স্বচ্ছ কলার , তোমাদের প্রাণ নেই
দোকান দেবতার
মান্টো
কী এক খাবল মাটি
এপার ওপার মানুষ
দেখতে বেশ লাগে আমাদের চেনা ম্যাপগুলো
আধাবডি ঝোলা কাঁটাতারে
কোলাজের টুকরো ভেঙেছো আকন্ঠ
ভূগোল
আমি
পাজামা
দ্বিপদ জুড়ে গেছে
নিপুণ রিফু
কাঠামোর অজাচার, লৌকিক ভয়ে ভিজছে , ঘাম
গোলাপির কোল নষ্টভিত, কান্না
তখনও পোশাক মানে শপথ জানতাম

No comments:
Post a Comment