Tuesday, November 3, 2020
|| বিশেষ সংখ্যা ~ প্রভাত চৌধুরী ||
Sunday, November 1, 2020
| নভেলেট | ডারউইনের চিঠি |
ডারউইনের চিঠি~( নবম পর্ব )
লীমাকে খিস্তি দেওয়ার পরমুহুর্তেই সম্মোহের খারাপ লাগে। ভাবে বেচারা ভালো মানুষের যা হাল হয় লীমা তাই। তবু ওর প্রতি মাঝে মাঝেই বিরক্তি দানা বাঁধে।লীমার কথা ভাবতে ভাবতে সম্মোহ খানিক অন্যমনস্ক হয়ে যায়। ফেলে আসা স্মৃতিগুলো যেন প্লেব্যাকে বেজে ওঠে। তবু সম্মোহ আজ ভুলে থাকার উপায় খুঁজে নিয়েছে। এই জঙ্গল তাকে অনেক কিছু দিয়েছে। একটা নতুন জীবন দিয়েছে।
--" দাদা আপনার নামটা কে দিয়েছিল? খুব আনকমন মিষ্টি নাম!"শতাক্ষীর প্রশ্নে সম্মোহের অন্যমনস্কতা কাটলো।
---"আমার ছোটমাসি। উনি যেমন সুন্দরী তেমন আপডেট সব সময়। ছোটবেলা থেকে দেখছি। এখনো এই সত্তর বছর বয়সেও সব সময় পরিপাটি। ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ, ইন্সটাগ্রাম সবেতেই এ্যাকটিভ।"
---" বাঃ! ওনার তারিফ করতেই হচ্ছে। আপনার লুক কথাবার্তা হাঁটাচলা সবেতেই একটা সম্মোহ দাঁড়িয়ে আছে।"
----" আপনার ওরকম মনে হচ্ছে! আসলে আমি একটা মরিচীকা! দূর থেকেই মায়াবী! কাছে এলেই খাঁ খাঁ শূন্যতা!" সম্মোহ একগাল হাসির ভেতর কথাগুলো বলে চলে।
---" এত ভালো কথা বলতে পারেন আপনি! ফলে আমাদের বলা গুলো হারিয়ে যায়.."
---" পেগটা শেষ করুন। নাকি ভালো লাগছে না? ভালো না লাগলে জোর করে খাওয়ার দরকার নেই। একটু চড়া গন্ধ আছে। সবাই নিতে পারে না।"
--- " ভালোই লাগছে। আচ্ছা ফাস্ট কাটের মাল ব্যাপারটা কি?"
---" আসলে গুড় , চালগুড়ির বাখর, মহুয়া ফল দিয়ে একটা হাঁড়িতে পাঁচ-ছ'দিন জিনিসটাকে পচানো হয়। তারপর আগুনের জালে হাড়ির ওপর হাঁড়ি রেখে প্রথম যে মদটা পাওয়া যায়, ওটাই ফাস্টকাট। বিশুদ্ধ তীব্র মহুয়া। র-খাওয়া যায় না। জল মিশিয়ে নিতে হয়।"
---" আমাদের মতো পাগলের পাল্লায় এর আগে পড়েছেন?"
----" পাগল নিয়েই তো আমার কারবার। পড়েছি পড়েছি, সেসব অনেক কাহিনী আছে! রাতে আপনাদের দুএকটা ঘটনা শেয়ার করবো। চলুন এবার লাঞ্চ করে নিন। বেলা পড়তির দিকে।"
---" হ্যাঁ ঠিক আছে, এবার লাঞ্চ দিতে বলুন।"
---" নন্দিনীদি এত তাড়া কিসের! আর একটু আড্ডা হোক!"
নন্দিনী সেন সবাই কে আদেশের সুরে বলল," না না, আগে লাঞ্চ করে রেস্ট নিয়ে নাও সবাই। রাতের জঙ্গলে আসল মজা! তখন কেলিয়ে গেলে চলবে না।আর খিদেও পাচ্ছে। সম্মোহবাবু লাঞ্চের ব্যবস্থা করুন।"
খেতে খেতে সবাই রান্নার তারিফ করলো। তারপর যে যার নির্ধারিত রূমে রেস্ট নেবার জন্য চলে গেল। সম্মোহ এই ফাঁকে নিজের খাওয়া শেষ করে আবার লালু কাকাকে খুঁজতে বেরোলো।
সন্ধে নেমে আসছে। জঙ্গল আরো ঘন হয়ে উঠছে বুনো গন্ধ আর ঝিঁঝিঁর ডাকে । না লালুকাকার খোঁজ কেউ দিতে পারছে না। আচ্ছা পাগলাচোদা লোক।বাইরের লোকজন আছে আর ও খেল দেখাচ্ছে। ডবির মুরগি ফার্মের কাছে গাড়িটা নিয়ে আসতেই কেলে সন্ধান দিলো লালুকাকার। বললো, " দুপুরে হাঁড়িয়া ভাটিতে ছিল লিটনের সঙ্গে। তারপর লিটনের বন্ধুক নিয়ে জঙ্গলে পাখি মারছিল। এখন গিয়ে দেখ আটচালায় নেশায় ঘুমোচ্ছে।"
কথাগুলো শোনা মাত্রই সম্মোহের মাথাটা রাগে ঝনঝন করে উঠলো। গাড়িতে স্টার্ট দিয়ে সোজা আটচালার দিকে এগিয়ে গেল।
শালাকে আজ রাত্রে এক ফোঁটাও মদ দেব না। খেয়ে খেয়ে আশ মেটে না। এসব লোককে আর এখানে রাখা যাবে না। বুড়ো হয়ে মরতে চললো...
---" ও লালুকাকা ওঠো, এখানে কি করছো। চলো। ঘরে চলো"
লালুকাকার কোনো হুঁশ নেই। অচেতন হয়ে ঘুমোচ্ছে। সম্মোহ এবার লালুকাকাকে ঠেলা দিল। ওঠো ওঠো।চলো।
লালুকাকা হুঁ শব্দে আবার অচেতন হয়ে রইলো।সম্মোহ বুঝলো ওর বাড়ি ফেরার মতো হুঁস নেই। তাই এখানে বেশি দেরি না করে সোজা বাড়ির দিকে রওনা দিলো।
বাড়ি ফিরে দেখলো কেউ রুম থেকে বাইরে বেরোয়নি। হয়তো তখনো ঘুমাচ্ছে। কারণ, কারো ঘরের ভেতর কোনো আলো জ্বলছে না।সম্মোহ বুলির মা'কে চা করতে বললো। এখন দিনের আলো নেই। চারপাশ ঘন অন্ধকার। রাতের খাবারের ব্যবস্থা করতে হবে। বনফায়ার হবে। অথচ বনমুরগির জোগাড় নেই। ওটা লালুকাকার জোগাড় করার কথা। কিন্তু লালুকাকার যা অবস্থা তাতে আজ কখন যে সে স্বাভাবিক হবে কে জানে! আর একটু পরেই নন্দিনী সেনরা উঠে পড়বে। ওদের আবদার মেটানোই সম্মোহের কাজ। বলা ভালো সম্মোহের বর্তমান রুজিরুটি। এই বিষয় গুলো একদম বুঝতে চায় না লালুকাকা।
বুলির মা চা এনে দিয়েছে। চায়ে চুমুক দিতে দিতে সম্মোহ কি করবে ভেবে পাচ্ছিল না।
এমন সময় একজন মহিলা এসে বলল," সম্মোহবাবু, আমি শর্মিষ্ঠা। সবাই ঘুমোচ্ছে। আর আমার ঘুম না আসার জন্য একা একা বোর হচ্ছিলাম। দেখলাম আপনি বসে আছেন। তাই চলে এলাম।"
---" ভালো করেছেন ম্যাডাম। একটু চা বলি?"
--- "সিওর। আপনার এখানে একা থাকতে বোর ফিল হয় না! ফ্যামিলি কোথায় থাকে?"
---" মা-বাবা কলকাতায়। আর আমি এখানে। এখানকার গাছপালা মানুষজনই আমার পরিবার।"
---" বিয়ে করেননি?"
----" সে আর হয়ে উঠলো না। আপনার কথা বলুন।"
----" গভর্নমেন্ট আর্ট কলেজ থেকে পড়াশুনা। এখন ছবি আঁকাটাই পেশা। একটি মেয়ে। হাসবেন্ড ডাক্তার।গোলপার্কে থাকি। নন্দিনী আমার স্কুল জীবনের বন্ধু।"
----" ও! আপনি ছবি আঁকেন। খুব ভালো। আপনার ছবি দেখার ইচ্ছে থাকল।"
---" অবশ্যই। আমার একটা ওয়েবসাইট আছে। ওখানে আমার কাজগুলো আপনি দেখে নিতে পারেন। আর নতুন কোন এক্সিবিশন হলে আপনাকে নিশ্চয় জানাবো।"
----" অবশ্যই। আপনার এক্সিবিশন দেখার ইচ্ছে থাকল। ম্যাডাম স্ন্যাক্সে কি খাবেন বলুন। "
---" আপনি যা খাওয়াবেন তাই খাব। আর একটা কথা। আমাকে নাম ধরে ডাকলে খুশি হবো।"
----" মাথায় থাকলো। ধীরে ধীরে হবে। এখন ঘড়িতে সাতটা বেজে গেছে। ওদের কি ডেকে দেবেন এবার!"
----" হ্যাঁ ডেকে দেওয়াটাই ঠিক হবে। আমি ডেকে তুলছি। আপনি ওদের চায়ের ব্যবস্থা করুন।"
সম্মোহ বুলির মা'কে চা বসাতে বলল। শর্মিষ্ঠা যাওয়ার আগে একটা সিগারেট ধরালো। সম্মোহকে অফার করলো। সম্মোহ বললো," থ্যাক্স্ , এই খানিক আগেই খেলাম। আপনি খান। আমি ববং রাতের খাবারের জন্য রান্নাঘরের গাইডলাইনটা বানিয়ে দিয়ে আসি।"
---" অদ্ভুত মানুষ আপনি! এতকিছু মাথায় রাখেন কি করে!"
----" এ আর এমন কি! আপনার ছবি আঁকা কাজ। আমার আপনাদের হসপিটালিটি দেওয়াটাই কাজ।" সম্মোহ হাসতে হাসতে কথা গুলো বলে রান্না ঘরের দিকে এগিয়ে গেল। রান্নাঘরে গিয়ে দেখে লালুকাকা বিড়ি টানছে।
Sunday, October 25, 2020
| নভেলেট | ডারউইনের চিঠি |
ডারউইনের চিঠি ( অষ্টম পর্ব)
ঘরের ভেতর থেকে নন্দিনী সেনরা বাইরে বেরিয়ে এলো।
----" কি হয়েছে দাদা? বন্দুকের আওয়াজ হলো!"
----" ভয় পাবেন না।কেউ হয়তো এয়ারগান দিয়ে পাখি মারছে?"
---" জঙ্গলের পাখি এভাবে মারার কি দরকার! আপনারা বিষয়টাকে বন্ধ করতে পারেন না!"
----" একি আর আমার একার কম্মো। ওদের জীবন যাত্রার সঙ্গে শিকার জড়িয়ে আছে। নিষেধ করলে শোনে না। কিন্তু আমাদের লালুকাকাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। ও আবার কিছু না জানিয়ে পাখি মারতে বেরোলো নাতো! আমি একটু খুঁজে আসছি। তারপর আপনাদের লাঞ্চের ব্যবস্থা করছি।" এই বলে সম্মোহ বুলেটে স্টার্ট দিল।
----" আমি যদি আপনার সঙ্গে যাই আপত্তি আছে!" নন্দিনী সেন বললো।
---" না না, আপত্তি কেন! বসে পড়ুন।" সম্মোহ বললো।
সম্মোহ জঙ্গলের আঁকাবাঁকা রাস্তা ধরে এগিয়ে গেল। পেছনে নন্দিনী সেন সম্মোহের টি-শার্ট মুঠো করে ধরেছে। এবড়ো খেবড়ো রাস্তা। শব্দটাকে অনুসরণ করে সম্মোহ এগিয়ে যাচ্ছে। শালের জঙ্গলের অতি ক্ষীণ পথ ধরে সম্মোহ এদিক ওদিক অনেক খোঁজাখুঁজি করলো। লালুকাকার দেখা নেই। হঠাৎ জঙ্গলের ভেতর দেখলো শালাপাতা পারতে আসা জনা দশেক মেয়ে। সম্মোহ এগিয়ে গেল," কিরে বুলটি লালুকাকাকে দেখেছিস।
---- " দেখি নাই গো। তবে জঙ্গলের বন্ধুক চললো একবার!"বুলটি বললো। বাকি মেয়েরা খিলখিল হাসি ছড়িয়ে পাতা তোলার কাজে লেগে পড়লো।
---" আচ্ছা আমি এদের সঙ্গে এতো সাবলীল কি করে হলেন! যেন এদেরই কেউ একজন। আপনাকে এসে থেকে যত দেখছি অত ইন্টারেস্টিং লাগছে! লালু কাকা কোথায় যেতে পারে বলে আপনার মনে হয়!"
---" যেখানেই যাক। এবার আপনাদের লাঞ্চ দিতে হবে।ও বুঝে করুক গে।" সম্মোহ বললো।
সম্মোহ বাড়ির দিকে ফিরে আসছে। নন্দিনী সেন কে পেছনে বসিয়ে গাড়ি চালাতে চালাতে লীমার কথা মনে পড়ছে। এরকম বহুবার লীমাকে বসিয়ে সম্মোহ কত পথ যে চলেছে তার ইয়ত্তা নেই। তবে নন্দিনী সেন অনেক খোলামেলা। স্মার্ট। আর লীমা ততোটাই জড়োসড়ো।
নন্দিনী বারেবারে সম্মোহকে আঁকড়ে ধরছিল। হয়তো এরকম উঁচু নিচু রাস্তায় নিজেকে ব্যালেন্স করতে পাচ্ছেন না। তবে সম্মোহ নন্দিনীর স্তনের ধাক্কায় রোমাঞ্চিত হচ্ছিল। আসলে সম্মোহের প্রাণখোলা মনোভাবে প্রেম আর যৌনতা তাড়াতাড়ি সাড়া দেয়। এটাকে কোন দোষ হিসেবে সে দেখে না।
বাড়ি ফিরেই দুপুরের খাওয়া দাওয়ার তোড়জোড় শুরু করে দিল সম্মোহ। খানিকক্ষণ বাদে সবাই ডাইনিং-এ এসেছে।
---" সম্মোহবাবু আমরা এখন মহুয়া খাব। লাঞ্চ পরে হবে।" নন্দিনী বললো।
---" ঠিক আছে ম্যাডাম আপনি যেমন চাইবেন। বুলির মা ফাস্টকাটের মালটা বের করো।আর আইসের কিউব গুলো দাও। " সম্মোহ বলল।
ফাস্টকাটের মহুয়া। জল মেশানো নেই। বুঝে শুনে খাবেন। অল্প খাবেন। প্রথম পেগটা আমি বানিয়ে দিচ্ছি। বাকিটা আপনারা করে নেবেন"
--- "না না, আমরা ওসব পাড়বো না। আপনি থাকুন আমাদের সঙ্গে।কি বলছো নন্দিনীদি।" শতাক্ষী বলল।
--" অবশ্যই। সম্মোহবাবু আপনি থাকুন আমাদের সঙ্গে। আর মহুয়ার উদ্ভাসে আমাদের সম্মোহিত করুন।"
সম্মোহ হেসে ফেললো। বললো, " ঠিক আছে। আমি পেগ সাজিয়ে দেব। কিন্তু খাব না। আপনারা খাবেন।"
---" কেন কেন!! আমাদের কি এই মহুয়া পানের যোগ্য পার্টনার মনে হচ্ছে না!"
---" এরকম বলবেন না ম্যাডাম। আসলে লালুকাকা নেই। আমিতো আছি। খাব অন্য সময়। চলুন শুরু করুন।"
এরকম কতজনের আবদার যে সম্মোহকে রাখতে হয়! যারাই আসে এখানে বেড়াতে তারা সবাই অদ্ভূত ভাবে সম্মোহের প্রতি অনুরাগ ছড়িয়ে দিতে চায়। অথচ লীমা! একটা আস্ত ন্যাকাচোদা! মা- ভাই-সংসার নিয়েই জীবন কাটিয়ে দিল।
||বিশেষ সংখ্যা ≈ চন্দ্রদীপা সেনশর্মা ||
অফিসবাড়ির মাথা গায়ে মরচে ধরছে রোদ রং
ধূসর আকাশ কালো হয়ে যেতে যেতে
পুজোর আলোর রোশনাইয়ে নগর কলকাতা,
কাছের শোভাবাজার রাজবাড়ি।
দুর্গানবমীর সান্ধ্য ভূপালিসুর,
সেই সুরে হারিয়ে যাওয়া লোকজন
ভিড়ে পা চালিয়ে মণ্ডপ থেকে মণ্ডপে--
শাঁখের বেজে ওঠা অলিগলি জুড়ে, সাঁঝপ্রদীপ
মগরিবের আজান
নবমীর মধ্যরাতে বিষণ্ন হচ্ছে দশমীর বেদনা।
দরবারী কানাড়ায় জন্মতিথির স্নানগন্ধে আগমনীর কান্না
মেডিকেল কলেজের ইডেন ওয়ার্ডে।
সম্পৃক্ত মেঘে মেঘে একপশলা আশীর্বাণী,
মণ্ডপে বীরেন্দ্রকিশোর ভদ্রের পাঠে
মাতৃবন্দনা; সুপ্রীতি ঘোষ গাইছেন :
'বাজলো তোমার আলোর বেণু...'
চোখ মেলে মাকে দেখল শিশুটি...
গতির উপর অক্ষর ছেড়ে দিলাম
গতি আহ্নিক এবং অক্ষ
গতি ভৌতবিজ্ঞানের পথ বেয়ে
কখনও শব্দের কখনও আলোর
গতি ভিন্ন গতি এক
গতি মন্থর গতি চঞ্চল
গতি পায়ের টো ছুঁয়ে পি টি ঊষা
ফ্লো জো বোল্ট
গতি হৃৎপিণ্ডে স্তব্ধ হলে ব্ল্যাকহোল
দমকা বাতাস এসে ডানা মেলেছিল
তুমি তাকে গ্রহণ করবার আগে অ্যানজিওপ্লাস্টির
বেলুনের মতো প্রাণ গিলে নিয়েছিল।
হৃদয় আর তোমার এজমালি রইল না
কোনও এক ঝোড়ো বদ্যি নথিপত্রে
সিলমোহর আর সিগনেচারে কিনে নিল
তোমার ঔদ্ধত্য তর্ক
টিকটিকির লেজের মতো খসতে খসতে
নির্মোহ ভজনে উদ্বাহু নৃত্যের তালে :
'শ্যাম মানে চাকর রাখো জী...'
কালপ্রতিমা আর তার ভেসে যাওয়া ছাড়া
অন্য কোনো সাক্ষী ছিল না, হ্যাঁ, ওই দমকা বাতাস
পা পড়ছে না ঠিকমতো, হাঁটু নড়বড়ে।






